স্বামীর সামনেই প্রেমিকের গলায় মালা! মুর্শিদাবাদের পুলিয়ায় নজিরবিহীন বিয়ে ঘিরে চাঞ্চল্য
এডমিন

ছবি: সংগৃহীত
মুর্শিদাবাদ: সিনেমার গল্পকেও যেন হার মানাল বাস্তব। বিবাহবিচ্ছেদ বা আইনি লড়াইয়ের পথে না হেঁটে, বর্তমান স্বামীর সামনেই ধুমধাম করে প্রেমিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন এক গৃহবধূ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার পাঁচথুপী পঞ্চায়েতের পুলিয়া গ্রামের পলিয়া কালিতলায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভরতপুর থানার জজান গ্রামের বাসিন্দা রাজেন বিত্তারের সঙ্গে কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়েছিল সীমা মাঝির। তাঁদের পাঁচ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে—ঋষি। তবে দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে সম্প্রতি সম্পর্কে ফাটল ধরে। সেই সময়েই বড়ঞা থানার পাঁচথুপী গ্রামের যুবক শ্রীকান্ত হাজরার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সীমা।
সাধারণত পরকীয়ার জেরে অশান্তি, বিবাদ বা আইনি জটিলতা তৈরি হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে চিত্র একেবারেই আলাদা। অভিযোগ বা বাধা নয়, বরং প্রথম স্বামীর উপস্থিতিতেই মালাবদল করে নতুন সম্পর্কে আবদ্ধ হন সীমা ও শ্রীকান্ত। গ্রামবাসীদের সামনেই সম্পন্ন হয় বিয়ের অনুষ্ঠান।
ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখেননি তাঁরা। এক গ্রামবাসীর কথায়, “চোখের সামনে স্ত্রী অন্য কারোর গলায় মালা দিচ্ছেন, আর স্বামী দাঁড়িয়ে তা দেখছেন—এটা ভাবাই যায় না।”
এদিকে, রাজেন বিত্তারের ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। কীভাবে তিনি স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়েতে সম্মতি দিলেন বা উপস্থিত থাকলেন, তা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে। পাশাপাশি সামনে এসেছে আইনি বৈধতার প্রশ্নও। আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে আইনসম্মত কি না, তা নিয়েও চলছে আলোচনা।। সবচেয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন এখন পাঁচ বছরের ঋষির ভবিষ্যৎ নিয়ে। মায়ের নতুন জীবনের সঙ্গে শিশুটির অবস্থান কী হবে, সেই নিয়েও উদ্বেগে প্রতিবেশীরা।। এই ত্রিমুখী সম্পর্কের জটিল সমীকরণ এবং সামাজিক-আইনি দিক মিলিয়ে পুলিয়া গ্রামের এই ঘটনা এখন জেলাজুড়ে চর্চার কেন্দ্রে।
খবরটি শেয়ার করুন:
এডমিন
সিনিয়র রিপোর্টার
আজকের এক্স-এর সিনিয়র রিপোর্টার। রাজনীতি, নির্বাচন এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ব্রেকিং নিউজ এবং বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন তৈরিতে দক্ষ।
মন্তব্য (0)
মন্তব্য লোড হচ্ছে...



